ক্রমাগত আস্থাহীনতার সঙ্কটে পড়ছে নির্বাচন কমিশন | -1 | বাম জোট-এর সংবাদ সম্মেলন | JORNAL PACIFISTA 

Diretor-Local do JORNAL PACIFIST & PACIFIST JOURNAL
na cidade de BRASÌLIA - BRASIL:
Senhor Jornalista: CELSO DIAS NEVES
MTB: 3414/GO
Fundador e Presidente das organizaçõepela PAZ MUNDIAL:
1)WPO - World Parlament of Security And Peace/ Brasil
2)ABCP - Academia Brasileira de Ciência Política
Denise Ruman
MTB - 0086489
JORNALISTA RESPONSÁVEL
The Biggest and Best International Newspaper for World Peace
BRANCH OFFICE OF THE NEWSPAPER "PACIFIST JOURNAL" in BRAZIL
Founder, President And International General Chief-Director / Fundadora, Presidente e Diretora Geral Internacional :  Denise Ruman - MTB: 0086489 / SP-BRAZIL
Local Chief-Director - Brazil / Diretora-Chefe Local - Brasil :  Denise Ruman
Mentor do Jornal / Mentor of the Newspaper  :  José Cardoso Salvador (in memoriam)
Mentor-Director / Mentor-Director  :  Mahavátar Babají (in memoriam)

-1 / 06/12/2018

বাম জোট-এর সংবাদ সম্মেলন

ক্রমাগত আস্থাহীনতার সঙ্কটে পড়ছে নির্বাচন কমিশন

0 votes
ক্রমাগত আস্থাহীনতার সঙ্কটে পড়ছে নির্বাচন কমিশন

বাম জোট-এর সংবাদ সম্মেলন

বাম জোট-এর সংবাদ সম্মেলন

‘ক্রমাগত আস্থাহীনতার সঙ্কটে পড়ছে নির্বাচন কমিশন’
নীতি ও ব্যবস্থা পাল্টানোর সংগ্রাম চলছে

বাম গণতান্ত্রিক জোট-এর সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন পরিবেশ সম্পর্কে বলা হয়েছে, ‘তফসিল ঘোষণার পর সকল রাজনৈতিক দল, ভোটারসহ প্রত্যেকের সমান সুযোগ সৃষ্টির যে উদ্যোগ কমিশনের পক্ষ থেকে নেয়া দরকার ছিল, তা আজ অবধি লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। নির্বাচন কমিশনের অতীত কর্মকাণ্ড সম্পর্কে বিশেষ করে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ইত্যাদিতে জনমনে যে অনাস্থা তৈরি হয়েছিল তা দূর তো হয়নি বরং ক্রমাগত কমিশন আস্থাহীনতার সংকটে পড়ছে। তফসিল ঘোষণার পর সরকারি দল ও মহাজোট একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘন করে চললেও নির্বাচন কমিশন কিছুই দেখছেন না, তাদের কাছে আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোন খবর নাই ইত্যাদি বলে কমিশন নিজেদেরকে উট পাখীর পর্যায়ে নামিয়েছে।’

আজ ৬ ডিসেম্বর ২০১৮, বৃহস্পতিবার মুক্তিভবনের মৈত্রী মিলনায়তনের সকাল ১১টায় বাম গণতান্ত্রিক জোটের সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন জোটের সমন্বয়ক, সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম। বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাসদ (মার্কসবাদী)’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, সিপিবি’র কেন্দ্রীয় সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাসদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক মোশারেফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা ফিরোজ আহমেদ, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহবায়ক হামিদুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘সারাদেশের মানুষের মনে এখনও শঙ্কা আদৌ নির্বাচন হবে কী? নির্বাচন হলে নির্বিঘেœ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দ মতো প্রার্থীকে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবো তো? ভোটের ফলাফল ঠিকভাবে প্রকাশিত হবে তো? কেন এ শঙ্কা? কারণ বাংলাদেশের মানুষের অতীত অভিজ্ঞতা খুবই তিক্ত। বিগত দিনে যে ১০টি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে তার ৬টি দলীয় সরকারের অধীনে হয়েছে একটিতেও ক্ষমতার পরিবর্তন হয়নি। বাকী ৪টি তদারকি সরকারের অধীনে হয়েছে বলে জনগণ নিজের ভোট অন্তত দিতে পেরেছে সেই অর্থে আপেক্ষিক সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে এবং ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু প্রকৃত অর্থে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়নি, কারণ ঐ নির্বাচনগুলোও কালোটাকা, পেশীশক্তি, সাম্প্রদায়িক প্রচারণা, প্রশাসনিক কারসাজি মুক্তভাবে হয়নি। যদিও আমরা জানি যে, শ্রেণিবিভক্ত পুঁজিবাদি সমাজে বাস্তবে সত্যিকারের অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, আমরা মনে করি সরকারও বিভিন্ন সময়ে বিশেষ করে বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহের সঙ্গে সংলাপের সময় যে প্রতিশ্রæতি দিয়েছিলেন তা রক্ষা করেনি। বলা হয়েছিল সংলাপের একটা সারসংক্ষেপ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর কাছে তুলে ধরবেন। কিন্তু কোন অদৃশ্য কারণে তিনি তা করেননি আজও জানা যায়নি।

প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন নির্বাচনকালীন ছোট সরকার হবে। ঐ সরকার শুধু রুটিন কাজ করবে। কিন্তু সরকারের আকার ছোট করেননি এবং মন্ত্রিপরিষদ রুটিন কাজেই সীমাবদ্ধ নেই। প্রধানমন্ত্রীই আবার বললেন অনেক প্রকল্পের কাজ চলছে তাই মন্ত্রিপরিষদ ছোট করলে প্রকল্পের কাজ বিঘ্নিত হবে। এ কথা প্রমাণ করে এটা নির্বাচনকালীন কোন সরকার না।

সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয় ‘বাম গণতান্ত্রিক জোট জনগণের ভোটাধিকার, ভাত-কাপড়-শিক্ষা-কাজের অধিকার তথা মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা তথা শুধু গদি ও নেতা নয়, নীতি ও ব্যবস্থা পাল্টানোর সংগ্রাম করছে। সেই সংগ্রামের অংশ হিসেবেই কখনো নির্বাচনে অংশ নেয়, আবার কখনো নির্বাচন বর্জনও করে গণআন্দোলনের পথও গ্রহণ করে।’

সংবাদ সম্মেলনে তুচ্ছ ঘটনায় বাম জোটের অনেক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিলেরও অভিযোগ করা হয়। এছাড়া সাতক্ষীরা-১ আসনে বাম জোটের প্রার্থী আজিজুর রহমান এর এলাকায় পুলিশি হয়রানি ও শহীদুল ইসলামকে অহেতুক গ্রেফতারের নিন্দা করা হয়।


Comentários
0 comentários


  • Enviar Comentário
    Para Enviar Comentários é Necessário estar Logado.
    Clique Aqui para Entrar ou Clique Aqui para se Cadastrar.


Ainda não Foram Enviados Comentários!


Copyright 2018 - Jornal Pacifista - Todos os direitos reservados. powered by WEB4BUSINESS

Inglês Português Frances Italiano Alemão Espanhol Árabe Bengali Urdu Esperanto Croata Chinês Coreano Grego Hebraico Japonês Hungaro Latim Persa Polonês Romeno Vietnamita Swedish Thai Czech Hindi Você