সরকারি ক্রয় কেন্দ্র খোলার দাবিতে কৃষক সমিতির উদ্যোগে সারাদেশে উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি পেশ | -1 | JORNAL PACIFISTA 

Eduardo Ruman (In Memoriam)
Diretor-Presidente
Administrativo e Empreendedor
Denise Ruman
MTB - 0086489
JORNALISTA RESPONSÁVEL
The Biggest and Best International Newspaper for World Peace
BRANCH OFFICE OF THE NEWSPAPER "PACIFIST JOURNAL" in BRAZIL
Founder, President And International General Chief-Director / Fundadora, Presidente e Diretora Geral Internacional :  Denise Ruman - MTB: 0086489 / SP-BRAZIL
Local Chief-Director - Brazil / Diretora-Chefe Local - Brasil :  Denise Ruman
Mentor do Jornal / Mentor of the Newspaper  :  José Cardoso Salvador (in memoriam)
Mentor-Director / Mentor-Director  :  Mahavátar Babají (in memoriam)

-1 / 14/05/2018


সরকারি ক্রয় কেন্দ্র খোলার দাবিতে কৃষক সমিতির উদ্যোগে সারাদেশে উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি পেশ

0 votes
সরকারি ক্রয় কেন্দ্র খোলার দাবিতে কৃষক সমিতির উদ্যোগে সারাদেশে উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি পেশ

কৃষক সমিতির বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি পেশ
সরকারি ক্রয় কেন্দ্র খোলার দাবিতে কৃষক সমিতির উদ্যোগে সারাদেশে উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও স্মারকলিপি পেশ

আজ ১৪ মে, সোমবার বাংলাদেশ কৃষক সমিতির উদ্যোগে ফসলের লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু করার দাবিতে সারাদেশের জেলা উপজেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১১ টায় ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন ও সমাবেম কর্মসূচিতে কৃষক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি অ্যাড. এসএমএ সবুরের সভাপতিত্বে এবং সহ সাধারণ সম্পাদক আবিদ হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কাজী সাজ্জাদ জহির চন্দন, সংগঠনিক সম্পাদক জাহিদ হোসেন খান, নির্বাহী কমিটির সদস্য লাকী আক্তার, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য শরিফুজ্জামান শরিফ, সুনামগঞ্জ জেলার কৃষক ও হাওর আন্দোলনের নেতা অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন তালুকদার, ঢাকা জেলা কমিটির সংগঠনিক সম্পাদক মোবারক হোসেন ঝন্টু, নারায়নগঞ্জ জেলার কৃষক নেতা মনিরুজ্জামান চন্দন। মানববন্ধনে বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রসহ বিভিন্ন গণসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, আমাদের দেশ কৃষি প্রধান। ৮০ ভাগ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল। ১৬ কোটি মানুষের খাদ্যের যোগান কৃষি থেকেই আসে। সরকারের ভুল নীতির কারণে কৃষি ও কৃষক আজ বিপন্ন। হাওর অঞ্চলসহ সারাদেশের কৃষকদের ধান বিক্রির জন্য পর্যাপ্ত ক্রয়কেন্দ্র ও সংরক্ষণের জায়গা নেই। বাধ্য হয়ে কৃষকরা কম দামে ফড়িয়াদের কাছে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।
সরকার এ বছর বোরো ধানের দাম মণ প্রতি ১,০৪০ টাকা নির্ধারণ করে করেছে। কিন্তু সারাদেশে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনা সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকায় মধ্যস্বত্ত্বভোগী ফড়িয়া ও চাতাল মালিকের দালালরা সিন্ডিকেট হয়ে বাজারে ধানের দাম নির্ধারণ করে কৃষকের কাছ থেকে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায় মণে ক্রয় করছে। কৃষকরাও ধান সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় এবং মহাজনি ঋণ পরিশোধ করার তাগিদে কম দামে লোকসানে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে। এভাবে কৃষকরা লোকসান গুনে ধান উৎপাদনে নিরুৎসাহীত হচ্ছে।
বক্তারা আরো বলেন, গতবছর হাওরে দুর্যোগের পর অনেক স্বপ্ন নিয়ে কৃষক আবারো চাষাবাদ করেছে। মাথার উপর ঋণের বোঝা নিয়ে তারা এ বছর চাষাবাদ করেছেন। কিন্তু এ বছর বাম্পার ফলন হলেও কৃষক তার ন্যায্যমূল্য পাচ্ছে না। বাজার এখন ফড়িয়া ব্যবসায়ীদের দখলে। ফলে কৃষক নির্ধারিত মূল্যের অর্ধেকেরও কম মূল্যে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছে।
এছাড়া এ সময় বৃষ্টিপাত ক্রমশ বাড়তে থাকায় কৃষক ধান শুকাতে পারছেনা। আবার কৃষি জমিতে অপরিকল্পিত শিল্প কারখানা নির্মাণসহ পরিবেশ বিপর্যয়ের দরুণ বজ্রপাতে অনেক কৃষক মারা যাচ্ছে। কৃষকের বীমা না থাকায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকের পরিবারও আজ মারাত্মক অনিশ্চিয়তায় জীবন যাপন করছে। এক্ষেত্রে সরকারিভাবে পরিকল্পিত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে দুর্যোগ মোকাবেলার আহবান জানান বক্তারা।
সারাদেশে ফসল উৎপাদনে সেচ সুবিধা ও বিদ্যুতায়নের ব্যবস্থা হয় নাই। বিএডিসিকে অকার্যকর করায় কৃষি উপকরণ নিয়ে ব্যবসা করেছে বহুজাতিক কোম্পানী ও মধ্যস্বত্ত্বভোগী লুটেরা গোষ্ঠী। ভেজাল সার ও বীজ ব্যবহার করে প্রতি বছর আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক। ভূমি অফিস ও পল্লী বিদ্যুতে অবাধে চলছে অনিয়ম ও দুর্নীতি। আলুসহ অন্যান্য সবজি সংরক্ষণে পর্যাপ্ত কোল্ড স্টোরেজ নাই।
সমাবেশ থেকে ধান, গম, সবজি, পাটের লাভজনক দাম এবং অবিলম্বে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু করে খোদ কৃষকের কাছ থেকে ফসল ক্রয়ের পাশাপাশি অবিলম্বে বোরো মৌসুমে চাল আমদানি স্থগিতের দাবি জানান। অবিলম্বে দাবি পূরণ না হলে দেশব্যাপী কঠোর কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন নেতৃবৃন্দ।

১৪ মে ২০১৮


Comentários
0 comentários


  • Enviar Comentário
    Para Enviar Comentários é Necessário estar Logado.
    Clique Aqui para Entrar ou Clique Aqui para se Cadastrar.


Ainda não Foram Enviados Comentários!


Copyright 2020 - Jornal Pacifista - Todos os direitos reservados. powered by WEB4BUSINESS

Inglês Português Frances Italiano Alemão Espanhol Árabe Bengali Urdu Esperanto Croata Chinês Coreano Grego Hebraico Japonês Hungaro Latim Persa Polonês Romeno Vietnamita Swedish Thai Czech Hindi Você